মাদারীপুরে দেড় বছর পর অবশেষে ক্রয়কৃত জমি বুঝে পেলেন এক ব্যবসায়ী

Filed under: সব সংবাদ,স্বদেশ |

মাদারীপুরের হাজরাপুরে জাল দলিল-পর্চা দিয়ে মিথ্যা মামলায় ভোগান্তির পরও দেড় বছরের বেশি সময় অতিবাহিতের পর স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের সালিস-সমঝোতার পর জমির দখল বুঝে পেলেন ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান রোমান। গত শুক্রবার তার ক্রয়কৃত ওই জায়গায় সীমানা চিহ্নিত করে বেড়া দেন এবং একটি টিনের ঘর নির্মাণ করেন।
চরমুগরিয়া বন্দরের ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান রোমান জানান, মাদারীপুর জেলাধীন ১১৮ নং চরখাগদী মৌজার এসএ খতিয়ান নং ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩ ও ৩৬৩ এর ১৩০৪, ১৩০৫ ও ১৩০৬ নং দাগে মোট জমি পরিমাণ ৮৭ শতাংশ। যার মালিক রুবিনা সিদ্দিক। তার কাছ থেকে আমি ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় করি। কিন্তু ক্রয়ের পর ওই জায়গায় কাজ করতে গেলে অবৈধভাবে বাঁধা দেয়া হয়। এ ব্যাপারে জমির ভুয়া কাগজপত্র করে স্থানীয় একটি প্রতারকচক্র মামলা দিলে তা দায়েরের দশ দিনের মাথায় খারিজ হয়ে যায়। স্থানীয় সালিসকারীদের হস্তক্ষেপে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর রুবিনা সিদ্দিকের ৮৭ শতাংশ জমির মধ্যে ৬২ শতাংশ জমির অংশ বুঝিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই অনুযায়ী শুক্রবার আমার ৩০ শতাংশ ও রুবিনা সিদ্দিকের ৩২ শতাংশ জমির দখল বুঝে পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, চরমুগরিয়া-হাজরাপুর সড়কের পাশে ক্রয়কৃত ওই জায়গায় সীমানা চিহ্নিত করে বেড়া দেয়া হয়েছে। এছাড়া ইতিমধ্যেই সেখানে একটি টিনের ঘর উঠানো হয়েছে।
স্থানীয় রাস্তি ইউনিয়নের গন্যমান্য সালিসকারীদের মধ্যে ছিলেন সালিসের সভাপতি আক্তার হোসেন মাতুব্বরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি। ওই জায়গা নিয়ে যাদের জমির দলিল ও মালিকানা ছিল তাদের সবারই  অংশ আনুপাতিক হারে বুঝিয়ে দেয়া হয়।
সালিসকারীরা জানান, যার দাবীর কারণে মাহফুজুর রহমান রোমান ও রুবিনা সিদ্দিকের সম্পত্তিতে স্থিতিবস্থা ছিল সেখানে বিচার-বিবেচনা করে সালিসকারীদের দেয়া সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে প্রতিপক্ষ। এরপর রোমান হাওলাদারকে তার জায়গায় কাজ করার সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে। এতে ওই পক্ষের কোন আপত্তি নেই। বিষয়টি সুরাহা হওয়ায় এলাকাবাসী খুশি।