ঘরে মূল্যবান জিনিসপত্র না পেয়ে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে চোরেরা!

জহিরুল ইসলাম খান: মাদারীপুরের মাস্টারকলোনী এলাকায় আজ ভোররাতে হারুন-অর-রশিদের বাড়িতে চুরি করতে ঢুকে মূল্যবান মালামাল না পেয়ে ঘরে অগ্নিসংযোগে করে জিনিসপত্র পুড়িয়ে দিয়েছে চোরেরা। এতে ঘরের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। একই সময় পাশের বাসার র‌্যাব-৮ এ কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলামের বাসায় আলমারির তালা ভেঙ্গে বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যায় চোরেরা।
ক্ষতিগ্রস্ত ও পুলিশ সূত্র জানায়, রাতে মাস্টারকলোনী এলাকার হারুন-অর-রশিদ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলামের বসতঘরে কেউ ছিলেন না। চোর ঘরের দরজার তালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে বিভিন্ন জিনিসপত্র তছনছ করে এবং নগদ কিছু টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার  নিয়ে যায়। মূল্যবান জিনিসপত্র না পেয়ে এক পর্যায়ে ঘরের কাপড়-চোপড় ও বিছানাপত্রে আগুন লাগিয়ে দরজা বন্ধ করে চলে যায় তারা। স্থানীয়রা আগুনের টের পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ক্ষতিগ্রস্ত হারুন-অর-রশিদ বলেন, এর আগেও তার খালি বাসায় দুইবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এবার চোরেরা মূল্যবান মালামাল না পেয়ে ঘরের লেপ-তোষক, কাপড়- চোপড় জড়ো করে আগুন ধরিয়ে বাইরে থেকে দরজা আটকে পালিয়ে যায়। এই ধরনের ঘটনা উদ্দেশ্যমূলক এই বিষয়ে পুলিশের গভীর তদন্ত করা দরকার।
র‌্যাব-৮ এ কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম বলেন, আমার বাসায় কেউ ছিল না। চোর ঘরের তালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে সব জিনিসপত্র, জামা-কাপড় এলোমেলো করেছে। কিছু কাপড়-চোপড় নিয়ে গেছে। কিন্তু ঘরের ভেতরে থাকা সিন্দুক ভাঙ্গতে পারেনি। তাই নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিতে পারেনি।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে মাদারীপুর মডেল থানার ওসি কামরুল হাসান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখবে।