নবনির্মিত সৌন্দর্য্যময় ‘হাসানপুর জামে মসজিদ’ মানুষের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে

মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামের অপরূপ স্থাপনা ‘হাসানপুর জামে মসজিদ’ এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যের কারণে আশ-পাশের এলাকার লোকজন। বিশেষ করে রাতে আলোকিত অবস্থায় মসজিদটির সবেচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ওই এলাকার মানুষের জন্য কোন মসজিদ ছিল না, এলাকায় শুধুমাত্র একটি মক্তব ছিল। ওই গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ডেপুটি এ্যাটর্নী জেনারেল এ্যাড. গোলাম কিবরিয়া ২০১০ সাল থেকে মসজিদটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, খোয়ারজপুর ইউনিয়নের মঠেরবাজার থেকে দক্ষিণ দিকে কিছু দূর, এরপর একটি ব্রীজ পাড় হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব কিছু দূর সব মিলিয়ে কয়েক কিলোমিটার ইটবিছানো রাস্তা দিয়ে পৌছে যাওয়া যায় সাবেক ডেপুটি এ্যাটর্নী জেনারেল এ্যাড. গোলাম কিবরিয়ার বাড়ির সামনে খোলা জমিতে মসজিদ অবস্থিত। চারিদিকে পাকাওয়াল করা গাঁথুনি। পুরো গাঁথুনি জুড়ে আলোকোজ্জ্বল ব্যবস্থা। একতলা আকৃতির ভবনে দুটি বড় গম্বুজ রয়েছে। এছাড়া তিনতলা উচ্চতার একটি মিনার রয়েছে। সাদা রঙের মসজিদটি দূর থেকে দেখতে হঠাৎ করে তাজমহলের মত মনে হয়। মসজিদের দরজা, জানালাসহ ভেতরের টাইলস ও সাজসজ্জা দেখতে আকর্ষণীয়।
মসজিদ নির্মাণের ব্যাপারে জানতে চাইলে এ্যাড. গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমার কাছে আমার বাবা আলহাজ্ব মো. হাসান মুন্সীর দাবী ছিল গ্রামে যেন একটি পাকা মসজিদ নির্মাণ করি। তাই তারই নামে নাম দিয়েছি ‘হাসানপুর জামে মসজিদ’। মসজিদটি তৈরির সময় স্থানীয়রা অনেক সাহায্য সহযোগিতা করেছে। গ্রামের মানুষজন তাদের মেধা, শ্রম এমনকি অর্থনৈতিক সহযোগিতাও করেছে।
এদিকে মঠেরবাজার থেকে ওই মসজিদের যে সংযোগ সড়ক তা গত ১২ বছরেও সংস্কার হয়নি। ইটের তৈরি সড়কটির বিভিন্ন স্থান থেকে ইট সরে গিয়ে খানাখন্দে রুপ নিয়ে যা বর্তমানে ভ্যান চলাচলেরও অযোগ্য। এই সড়কটি চলাচলের উপযোগী করলে দূর-দূরান্ত থেকে ওই মসজিদটি দেখতে যেতে মানুষের অনেক সুবিধা হবে বলে দাবী এলাকাবাসীর।